পুলিশ এখনো তাদের পরিচয় প্রকাশ করেনি।অভিযোগ অনুযায়ী, ৪৭ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি সোমবার রাত প্রায় ৮টার দিকে সিডনির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ক্যাম্পবেলটাউনে রেমন্ড অ্যাভিনিউয়ের নিজ বাড়িতে তার ৪৬ বছর বয়সী স্ত্রী এবং ১২ ও ৪ বছর বয়সী দুই ছেলেকে হত্যা করার পর, নিজেই জরুরি সেবায় ফোন করেন।
৭নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি তার দুই ছেলের দেখাশোনা করছিলেন। কারণ দুই শিশুই বুদ্ধি প্রতিবন্ধি ছিল।
পুলিশ ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত সহিংস’ বলে বর্ণনা করেছে। কর্মকর্তারা জানান, তিনজনের শরীরে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। পুলিশ জানায়, এর আগে পরিবারটি তাদের নজরে ছিল না। কর্মকর্তাদের মতে, এই ঘটনা সমাজে পারিবারিক সহিংসতার ভয়াবহ দিকটি আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে সরাসরি উপস্থিত হননি।
তার আইনজীবী জাওয়াদ হোসেন বলেন, ‘তার মক্কেল মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। ভুক্তভোগী এবং তাদের পরিবারের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি মর্মান্তিক ঘটনা এবং তিনি খুবই মর্মাহত।’ আদালতের কার্যক্রম নিয়ে তারা এখনই কোনো মন্তব্য করতে চান না বলে তিনি জানান।তিনি বলেন, পুলিশ বর্তমানে অন্য কাউকে খুঁজছে না এবং তাদের বিশ্বাস, ‘অপরাধী আর কেউ পলাতক নেই।’ তিনি আরো বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু জিনিস উদ্ধার করেছে। এটি নিহতদের আঘাত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে।’ তিনি আরো বলেন, ‘ঘটনাস্থলের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি এখনই তাদের মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে পারছি না।’
এদিকে ঘটনাস্থলে এখনো পুলিশের তদন্ত চলছে। আজ সকালে প্রতিবেশীদের সেখানে ফুল রেখে শ্রদ্ধা জানাতে দেখা গেছে। এক প্রতিবেশী জানান, পরিবারটি চুপচাপ থাকত এবং শিশুরা ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের ছিল।