ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ ৮:১০ pm
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের ওপর বয়সভিত্তিক বিধিনিষেধও আরোপ করেছে। কেবল ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সী পুরুষ, ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সী নারী এবং সর্বোচ্চ ১২ বছর বয়সী শিশুদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে বেসামরিক বিষয় তদারককারী সংস্থা কোগাট এক বিবৃতিতে জানায়, ‘রমজান মাসজুড়ে জুমার নামাজের জন্য টেম্পল মাউন্টে ১০ হাজার ফিলিস্তিনি মুসল্লিকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে, তবে এর জন্য পূর্বেই প্রতিদিনের বিশেষ অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
কোগাট এএফপিকে জানিয়েছে, এই বিধিনিষেধ কেবল পশ্চিম তীর থেকে আগত ফিলিস্তিনিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যে অঞ্চলটি ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েলের দখলে রয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, ‘সব অনুমতিপত্র সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদনের শর্তসাপেক্ষ।’
এ ছাড়া পশ্চিম তীরের জন্য ব্যবহৃত বাইবেলীয় পরিভাষা উল্লেখ করে তারা বলেছে, ‘নামাজ শেষে জুদিয়া ও সামারিয়া অঞ্চলে প্রত্যাবর্তনের সময় মুসল্লিদের সীমান্তচৌকিতে ডিজিটাল নথিভুক্তির প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর নিরাপত্তা উদ্বেগ ও ইসরায়েলি বিধিনিষেধের কারণে মুসল্লিদের উপস্থিতি কমে গেছে।
ফিলিস্তিনি জেরুজালেম গভর্নরেট এ সপ্তাহে জানায়, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ সাইটটির তত্ত্বাবধায়ক জর্দান-পরিচালিত ইসলামিক ওয়াকফকে রমজান উপলক্ষে নিয়মিত প্রস্তুতি নিতে বাধা দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমাকে এক সপ্তাহ ধরে মসজিদে প্রবেশে নিষেধ করা হয়েছে এবং আদেশটি নবায়ন করা হতে পারে।’
আব্বাসি জানান, সোমবার থেকে কার্যকর হওয়া এ নিষেধাজ্ঞার কারণ তাকে জানানো হয়নি।
দীর্ঘদিনের ব্যবস্থাপনায় ইহুদিরা আল-আকসা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করতে পারেন, তবে সেখানে তাদের প্রার্থনা করার অনুমতি নেই।
ইসরায়েল বলছে, তারা এই বিদ্যমান অবস্থান বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যদিও ফিলিস্তিনিরা আশঙ্কা করছেন যে তা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে।