মে ২৫, ২০২৬ ১১:৩৬ am
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাপ-সংবেদনশীল স্ক্যানে ধ্বংসস্তূপের নিচে শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দনের লক্ষণ পাওয়া গেছে। তাই সেখানে আরো মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতার ধীরগতিতে ক্রমেই ক্ষুব্ধ ও হতাশ হয়ে পড়ছেন। ম্যানিলা থেকে আসা লিয়া কাসিলাও বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার আশঙ্কা থাকা তার স্বামী সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য জানতে চান তিনি। তার স্বামী ওই নির্মাণ প্রকল্পে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
৪৭ বছর বয়সী কাসিলাও বলেন, ‘আমার ছোট সন্তান বারবার বাবার খোঁজ জানতে চায়, কিন্তু আমি তাকে কোনো উত্তর দিতে পারছি না।’ আরেক স্বজন লরেনা অংকাওও একই ধরনের হতাশার কথা জানান। ৫০ বছর বয়সী অংকাও বলেন, কর্তৃপক্ষের উচিত অন্তত নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত রাখা।
তিনি জানান, নিখোঁজদের মধ্যে তার ভাই ও ভাবিও রয়েছেন। তারা ভবনটির আশপাশে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা হিসেবে কাজ করতেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে অংকাও বলেন, ‘আমরা কী পরিস্থিতির মধ্যে আছি, তারা তা অনুভব করতে পারবে না।’