জানুয়ারি ১২, ২০২৬ ১:০৯ pm
রোববার (১১ জানুয়ারি) জাতির উদ্দেশে এক টেলিভিশন ভাষণে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পেজেশকিয়ান বলেন, শত্রু অস্থিরতা আরও বাড়াতে চাইছে এবং সেই লক্ষ্যেই প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসীদের ইরানে পাঠানো হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের দায়িত্ব জনগণের সমস্যার সমাধান করা ও তাদের উদ্বেগ দূর করা, একই সঙ্গে অরাজকতাকারীদের দেশকে অস্থিতিশীল করতে না দেওয়াও সরকারের কর্তব্য।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ব্যবসায়ী ও দোকানদারদের প্রতিবাদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রতিবাদী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে তাদের উদ্বেগ শুনে সমঝোতায় পৌঁছানো হয়েছে। পাশাপাশি চেম্বার অব গিল্ডস ও চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধিরাও সরকারের বৈঠকে অংশ নিয়ে তাদের উদ্বেগ তুলে ধরেছেন। এসব সামাজিক গোষ্ঠীর সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, কারণ সরকার যে কোনোভাবে তাদের সমস্যার সমাধান করতে চায়।
তিনি অভিযোগ করেন, তারা মসজিদে আগুন দিয়েছে, বাজারে অগ্নিসংযোগ করেছে, নিরীহ মানুষকে অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেছে, মেশিনগানে গুলি চালিয়েছে, আগুন দিয়েছে এবং এমনকি শিরশ্ছেদও করেছে।
ইরানি কর্মকর্তারা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এজেন্টরা গোটা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলতে চেয়েছিল।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি বলেছেন, ইরানে বিদেশি হস্তক্ষেপের পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইহুদিবাদী ইসরাইল চেষ্টা চালানোর কারণে দেশে সাম্প্রতিক দাঙ্গায় এই দুই শাসক গোষ্ঠী সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়টি সবার সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
ইরানের রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় দাঙ্গাকারীরা গত বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার রাতে সরকারি এবং জনগণের সম্পত্তিতে আগুন লাগিয়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর তিনি এসব মন্তব্য করেন।