কুয়েতের দ্বীপে হামলার পরিকল্পনায় ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ড
মে ১৩, ২০২৬ ১২:১৯ pm
ইরান পশ্চিম এশিয়ার একটি দ্বীপে হামলা চালাতে সশস্ত্র আধাসামরিক বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর সদস্য পাঠিয়েছে বলে কুয়েত অভিযোগ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের জন্য বেইজিং সফরে যাওয়ার ঠিক আগে মঙ্গলবার (১২ মে) এই অভিযোগ করা হয়।
ওই দ্বীপে চীনের অর্থায়নে একটি বন্দর নির্মাণ প্রকল্প চলছে।তবে ইরান সঙ্গে সঙ্গে কুয়েতের এই অভিযোগের জবাব দেয়নি। চলমান সংঘাতের সময় এবং যুদ্ধবিরতির মধ্যেও কুয়েত বারবার ইরানের হামলার শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই নতুন অভিযোগ এবং অঞ্চলে চলতে থাকা হামলাগুলো আবারও পশ্চিম এশিয়াকে বড় ধরনের যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি জানিয়েছেন, যুদ্ধের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে রক্ষা করতে ইসরায়েল সেখানে আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও সেগুলো পরিচালনার জন্য সেনা সদস্য পাঠিয়েছে।
এটি ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরো স্পষ্ট করে তুলেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েল, দুই দেশই দীর্ঘদিন ধরে ইরানকে সন্দেহের চোখে দেখে আসছে।
এই ঘটনাকে আরব উপদ্বীপের সাতটি শেখশাসিত রাজ্যের ফেডারেশন সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রথম প্রকাশ্য মোতায়েন হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
দেশটির গুরুত্বপূর্ণ শহর আবুধাবি ও দুবাইও এর অন্তর্ভুক্ত।এদিকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনা এখন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে আবারও নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।