গত মার্চের ফিফা উইন্ডোতে থাকা কয়েকজন ফুটবলারও এবার বাদ পড়েছেন। তাদের মধ্যে আছেন গোলরক্ষক হুগো সুজা ও বেন্তো ম্যাথিউস, ডিফেন্ডার কাইকি, মিডফিল্ডার আন্দ্রে সান্তোস ও গ্যাব্রিয়েল সারা। জায়গা হয়নি রিচার্লিসন এবং আন্দ্রে পেরেইরারও। মার্চে অবশ্য ইনজুরির কারণে নিয়মিত কয়েকজন ফুটবলার না থাকায় বিকল্প হিসেবে সুযোগ পেয়েছিলেন হুগো সুজা ও কাইকি।
আনচেলত্তির শুরু দিককার পরিকল্পনায় আন্দ্রে সান্তোস ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ নাম।
কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ক্লাব পর্যায়ে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা হারিয়েছেন তিনি। একইভাবে বাদ পড়েছেন জোয়াও পেদ্রোও। কোচের আস্থার তালিকায় তুলনামূলক এগিয়ে ছিলেন অন্যরা। বিশেষ করে দলে ফিরেছেন নেইমার জুনিয়র। তার সঙ্গে আক্রমণভাগে আছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি ও রাফিনিয়া।তবে চমকও রেখেছেন ব্রাজিল কোচ। বোর্নমাউথে খেলা রায়ান এবং ব্রেন্টফোর্ডের ফরোয়ার্ড ইগর থিয়াগো জায়গা করে নিয়েছেন চূড়ান্ত দলে। আনচেলত্তির অধীনে তারা খেলেছেন মাত্র একটি করে ম্যাচ। এছাড়া আগের ম্যাচগুলোয় ভালো পারফরম্যান্স করা লুইজ হেনরিক ও ম্যাথিউস কুনহাও বিশ্বকাপ দলে জায়গা ধরে রেখেছেন।
বাদ পড়াদের নিয়ে আক্ষেপও ঝরেছে আনচেলত্তির কণ্ঠে। ব্রাজিল কোচ বলেন, এই দেশের ফুটবলারদের মধ্যে প্রতিযোগিতা এতটাই কঠিন যে ২৬ জন বেছে নেওয়া সহজ ছিল না। দীর্ঘ সময় দলের সঙ্গে থাকা অনেকেই এবার সুযোগ না পাওয়ায় হতাশ, সেটিও তিনি বুঝতে পারছেন বলে জানিয়েছেন।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, উদ্বোধনী ম্যাচের আগ পর্যন্ত ইনজুরির কারণে স্কোয়াডে পরিবর্তন আনার সুযোগ থাকবে। তবে বিকল্প হিসেবে নেওয়া খেলোয়াড়কে অবশ্যই প্রাথমিক ৫৫ সদস্যের তালিকায় থাকতে হবে। গোলরক্ষকদের ক্ষেত্রে টুর্নামেন্ট শুরুর পরও বিশেষ শারীরিক সমস্যার প্রমাণ দিলে পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে।