সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ১০:২৭ pm
জাপানের নাগোয়া ও আইচিতে শুরু হওয়া ২০তম এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ৩০ হাজার আসনের স্টেডিয়ামের অনেকটা অংশে ছিল খালি। তুলনামূলক শান্ত দর্শক উপস্থিতির মধ্যেই বর্ণিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়ে গেল।
জাপানের অ্যাথলেটরা মাঠে প্রবেশের সময় যেমন উচ্ছ্বাস দেখা গেছে, তেমনি সবচেয়ে বড় করতালি পেয়েছে চীন দল।
তবে শুরু থেকেই ঝামেলার মধ্যে রয়েছে এই আয়োজন। আয়োজকদের সামাল দিতে হচ্ছে একের পর এক সমস্যা। ১১ হাজারের বেশি অ্যাথলেট এবং প্রায় ৬ হাজার কর্মকর্তার আবাসনের ব্যবস্থা করতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে আয়োজকদের। খরচ কমাতে এবার রাখা হয়নি প্রচলিত ‘গেমস ভিলেজ’। প্রতিযোগীদের রাখা হয়েছে অস্থায়ী কনটেইনারের মতো কক্ষে, বিভিন্ন হোটেলে এবং ‘কোস্টা সেরেনা’ ক্রুজ জাহাজে।
এর মধ্যেই গত সপ্তাহে নাগোয়ায় রেকর্ড বৃষ্টিপাতে বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়। এবার পূর্ব জাপানের দিকে ধেয়ে আসছে একটি টাইফুন। ফলে আগামী কয়েক দিনে খেলায় আরো বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
পরিবহন না আসায় কিছু অ্যাথলেট বিমানবন্দরে আটকে পড়েছিলেন। বেশ কয়েকটি দল অস্থায়ী আবাসনের মান নিয়েও অভিযোগ করেছে। এমনকি কোথাও কোথাও বিছানার দৈর্ঘ্য নিয়েও সমস্যা দেখা দিয়েছে।
সর্বশেষ বিপত্তি ঘটে গতকাল শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর)। দক্ষিণ কোরিয়ার পুরুষ হকি দল খেলতে নামার আগে বাজিয়ে দেওয়া হয় উত্তর কোরিয়ার জাতীয় সংগীত।
এরপরও এশিয়ার ৪৫টি দেশ ও অঞ্চল থেকে ক্রীড়াবিদরা অংশ নিচ্ছেন এবারের আসরে। অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়া (ওসিএ) মনে করছে, বর্তমান সময়ে এশিয়ান গেমসের গুরুত্ব আরো বেশি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে ওসিএ সভাপতি শেখ জোয়ান বিন হামাদ আল-থানি বলেন, ‘উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বার্তা হলো এশিয়ার ঐক্য দেখানো এবং এশিয়ার বিভিন্ন সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক সংঘাতের বিপরীতে এশিয়ার ঐক্য প্রদর্শন।’
আয়োজকরা জানিয়েছিলেন, সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে, যদিও বাস্তবে স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে চোখে পড়েছে অনেক খালি আসন।