জানুয়ারি ১৪, ২০২৬ ১১:৩১ am
সম্পদের দিক দিয়ে মুক্তাদিরের পরেই রয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেন। তার নামে রয়েছে ৩ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ২৫ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ২ কোটি ৮৫ লাখ ৭৫ হাজার ৫৪৭ টাকার সম্পদ।
ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী মো. শামীম মিয়ার সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ৩৪ লাখ ৮৭০ টাকা।
এ ছাড়া কোটি টাকার নিচে সম্পদ রয়েছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর সঞ্জয় কান্ত দাস, গণঅধিকার পরিষদের আকমল হোসেন, খেলাফত মজলিসের তাজুল ইসলাম হাসান এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর প্রণব জ্যোতি পালের।
সিলেট-২ আসনে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে চারজন কোটিপতি। এর মধ্যে সর্বোচ্চ সম্পদের মালিক বিএনপি প্রার্থী তাহসিনা রুশদী (ইলিয়াসপত্নী)। তার সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ৩৯ লাখ ৬৭ হাজার ৬৫৯ টাকা।
এ ছাড়া খেলাফত মজলিসের মো. মুনতাসির আলীর ২ কোটি ১৫ লাখ ৪০ হাজার ৬৩৪ টাকা, জামায়াতের আব্দুল হান্নানের ১ কোটি ৬০ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৭ টাকা এবং জাতীয় পার্টির মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর ১ কোটি ৫ লাখ ৮২ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে।
কোটি টাকার নিচে সম্পদ রয়েছে গণফোরামের মুজিবুল হক, ইসলামী আন্দোলনের মো. আমির উদ্দিন এবং গণঅধিকার পরিষদের জামান আহমদ সিদ্দিকীর।
সিলেট-৩ আসনে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনই কোটিপতি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্পদ খেলাফত মজলিসের মুছলেহ উদ্দিন রাজুর। তার স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে সম্পদের পরিমাণ ৫ কোটি ৭৯ লাখ ১ হাজার ৫৩৩ টাকা।
জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমানের সম্পদের পরিমাণ ৪ কোটি ৬৬ লাখ ৪৯ হাজার ৮৩৩ টাকা এবং তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১ কোটি ৩৩ লাখ ২৭ হাজার ৫২৫ টাকার সম্পদ।
বিএনপির মো. আবদুল মালিকের তুলনায় তার যুক্তরাজ্যপ্রবাসী স্ত্রীর সম্পদ বেশি। আবদুল মালিকের সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রীর প্রায় ১০ কোটি ৬৫ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে।
খেলাফত মজলিসের দিলওয়ার হোসাইনের সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৯২ টাকা এবং তার স্ত্রীর নামে রয়েছে দেড় কোটি টাকার সম্পদ।
জামায়াতের লোকমান আহমদের সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৫৬ লাখ ৮২ হাজার ১৯২ টাকা। এ ছাড়া কোটি টাকার নিচে সম্পদ রয়েছে এনসিপির নুরুল হুদা জুনেদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রেদওয়ানুল হক চৌধুরীর।
সিলেট-৪ আসনে ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে তিনজন কোটিপতি। বিএনপি প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর সম্পদের পরিমাণ ১৯ কোটি ৫৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৬৬ টাকা এবং তার স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ ৮ কোটি ৪২ লাখ ৭১ হাজার ৯৯১ টাকা।
এনসিপির মো. রাশেদ উল আলমের সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ৭৫ লাখ ৮৫ হাজার ৯৩৫ টাকা এবং জামায়াতের জয়নাল আবেদীনের ১ কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৯৭৬ টাকা।
খেলাফত মজলিসের মুফতি আলী হাসান উসামার সম্পদ কোটি টাকার নিচে। জাতীয় পার্টির মুজিবুর রহমান এবং গণঅধিকার পরিষদের জহিরুল ইসলামের হলফনামার সম্পদের হিসাব নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়নি।
সিলেট-৫ আসনের পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে দুইজন কোটিপতি। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) মামুনুর রশিদের সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২২ লাখ ৫৫ হাজার ২৯৪ টাকা এবং জমিয়তের মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুকের সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২২ হাজার টাকা।
কোটি টাকার নিচে সম্পদ রয়েছে জামায়াতের হাফেজ মাওলানা আনোয়ার হোসেন খান, খেলাফত মজলিসের মুফতি আবুল হাসান এবং মুসলিম লীগের মো. বিল্লাল উদ্দিনের।
সিলেট-৬ আসনে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে চারজন কোটিপতি। গণঅধিকার পরিষদের জাহিদুর রহমানের মোট সম্পদের পরিমাণ ৫২ কোটি ৭৩ লাখ ৯৩ হাজার ৫৭৫ টাকা।
এ ছাড়া বিএনপির ফয়সল আহমদ চৌধুরীর সম্পদের পরিমাণ ১১ কোটি ১৬ লাখ ২১ হাজার ৯০২ টাকা, একই দলের প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরীর ১ কোটি ৫ লাখ ৫০ হাজার ৮১০ টাকা এবং জামায়াতের মো. সেলিম উদ্দিনের সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২৫ লাখ ৬৬ হাজার ১২৪ টাকা।