ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ ১১:৪২ am
ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ লেবুর শরবত।
ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ খেজুর। এক কেজি বরই খেজুরের দাম ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা।প্রতি কেজিতে প্রায় ২০০ থেকে ২২৫টি হয়। সেই হিসাবে দুটি খেজুরের দাম চার টাকা। প্রতি কেজি খেজুরে এবার দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেড়েছে। মুড়ির কেজি ৯০ টাকা। একজন যদি ১০০ গ্রাম মুড়ি খান তাহলে দাম পড়বে ১০ টাকা। ছোলার কেজি ৭৫ থেকে ৯০ টাকা। কিন্তু বাইরে ভাজা ছোলা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। একজন যদি ১০০ গ্রাম ছোলা খান তাহলে খরচ পড়বে ২০ টাকা। আলুর চপ ১০ টাকা, পিঁয়াজু ১০ টাকা, বেগুনি ১০ টাকা, ডিমচপ ২০ টাকা। বুন্দিয়ার কেজি ২০০ টাকা, একজন ৫০ গ্রাম বুন্দিয়া খেলে দাম পড়বে ১০ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি। গত রমজানের তুলনায় কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। মাঝারি মানের শসা কেজিতে ৬টি হয়। সেই হিসাবে একটি শসার দাম ২০ টাকা। একজন যদি অর্ধেক শসা খান দাম পড়বে ১০ টাকা। বেগুনের কেজি ১২০ টাকা।
মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী অপু ইসলাম বলেন, ‘প্রতিবছরই রমজান এলে দাম বাড়ে, এবারও ইফতারের প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়েছে। কিন্তু আমাদের তো আয় বাড়েনি। ফলে ইফতারসামগ্রী কিনতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।’
অন্যদিকে বিক্রেতাদের দাবি—পাইকারি বাজারে দাম বেশি এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ছে। কারওয়ান বাজারের খুচরা বিক্রেতা মাহিম মিঞা বলেন, ‘আমরা বেশি দামে কিনে সামান্য লাভে বিক্রি করছি। আড়ত থেকে পণ্য আনতেই আগের চেয়ে অনেক বেশি খরচ হচ্ছে।’
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের কথা বলছে। এর মধ্যে তাদের দুই স্থানে বাধার মুখে পড়তে দেখা গেছে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজারে ছোলার দাম বেশি রাখার অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেন ভোক্তার কর্মকর্তারা। ওই সময় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতিসহ অন্য ব্যবসায়ীরা উত্তেজিত হয়ে হৈচৈ শুরু করেন। পরে ব্যবসায়ীদের তোপের মুখে অভিযান পরিচালনা বন্ধ করে সরে আসেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
এদিকে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রংপুর সিটি বাজারে অভিযান চালাতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের তোপের মুখে পড়েন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। অভিযানের সময় মাছবাজারে রঙিন লাইট লাগিয়ে ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেন ভোক্তার কর্মকর্তারা। এ সময় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোস্তফা কামালসহ অন্য ব্যবসায়ীরা উত্তেজিত হয়ে অভিযান বন্ধ করতে চাপ সৃষ্টি করেন। পরে ব্যবসায়ীদের তোপের মুখে অভিযান পরিচালনা বন্ধ করে সরে আসেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।