শনিবার, মে ৩০, ২০২৬

ডিএনসিসির ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী পেলেন প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার

মে ২৪, ২০২৬ ৮:১০ pm

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রায় ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। প্রত্যেক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে ৫ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে।

রবিবার (২৪ মে) গুলশান-২ নম্বরে অবস্থিত নগর ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের হাতে এই চেক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের হাতে ঈদ উপহারের চেক তুলে দেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সব সময় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কথা ভাবেন।

তাদের কষ্ট ও শ্রমকে মূল্যায়ন করেন বলেই ধারাবাহিকভাবে এই ঈদ উপহার প্রদান করছেন।’প্রশাসক বলেন, ‘ঈদুল আজহায় কোরবানির কারণে পুরো নগরে অতিরিক্ত বর্জ্য তৈরি হয়। এই সময়ে নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করেন। তাদের এই কষ্টের কথা বিবেচনা করেই প্রধানমন্ত্রী পাশে দাঁড়িয়েছেন।

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করে মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আপনারা খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে কাজ শুরু করেন। ঢাকা শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা আপনাদের। আপনারা কাজ না করলে নগর সুন্দর ও দুর্গন্ধমুক্ত থাকবে না। আপনারা আমাদের প্রাণ, আপনারা আমাদের শক্তি।’

গ্রিন ও ক্লিন ঢাকা গড়তে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রশাসক বলেন, ‘রাস্তাঘাটে যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলে পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।

’ একই সঙ্গে আসন্ন বর্ষা ও ঈদে দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বর্জ্য অপসারণে সিটি করপোরেশন প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি কর্মীদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম ও রেইনকোট ব্যবহারের নির্দেশনা দেন।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই উপহার আসন্ন কোরবানির ঈদে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজের উদ্যম আরো বাড়িয়ে দেবে। নগরবাসী যাতে কোরবানির বর্জ্যে ভোগান্তিতে না পড়েন, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী ও প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসানসহ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।