মার্চ ২৫, ২০২৬ ২:৩৭ pm
ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেয়েছে নাজিফা তুষি অভিনীত ‘প্রেশার কুকার’। ভিন্নধর্মী গল্প উপস্থাপনার কারণে এরইমধ্যে সিনেমাটি আলাদাভাবে উঠে এসেছে দর্শকের আলোচনায়। শুধু তাই নয়, অভিনেত্রী তুষির কাছেও নানা কারণে সিনেমাটি বিশেষ! কেননা, ঈদের দিন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তিপ্রাপ্ত এটিই তাঁর প্রথম কোনো সিনেমা। এ ছাড়াও সিনেমাটির গল্পের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে তাঁর ভালোলাগার বেশকিছু কারণ!
সম্প্রতি ইনডিপেনডেন্ট টিভির ‘তারকা আড্ডা’য় হাজির হয়ে এমনটাই জানালেন ‘হাওয়া’খ্যাত এই অভিনেত্রী। রায়হান রাফীর পরিচালনায় সিনেমাটিতে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘আন্ধার’-এ শুটিংয়ের সময় নির্মাতা তাঁকে দুটি গল্প শুনিয়েছিলেন; একটি ছিল প্রেমের গল্প, অন্যটি এই প্রেশার কুকার।
অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘এই আইডিয়া (প্রেশার কুকার) আমাকে অনেক বেশি টানে। কারণ অনেকদিন ধরে চাচ্ছিলাম যে এমন একটা ফিল্ম করি, যেখানে নারীরা প্রধান বা সিটি লাইফ—যেখানে নানা শ্রেণিপেশার মানুষ আছে। অবশেষে এই সিনেমায় কীভাবে যেন সবকিছু হয়ে গেল! ঈদে আসছে, হাইপারলিংকড স্টোরি, যেখানে নারীদের একটা বিশাল জায়গা রয়েছে। এখানে আমার বন্ধুরা, সহকর্মীরা অভিনয় করেছেন। ফলে সব মিলিয়ে একজন নারী হিসেবে সিনেমাটা আমার জন্য আনন্দের। সুযোগটা আমি মিস করতে চাইনি।
প্রেশার কুকার সিনেমার শুটিংয়ে কি অনেক বেশি প্রেশার (চাপ) ছিল—এমন প্রশ্নে তুষি জানান, শুটিংয়ের মুহূর্তগুলো ছিল অনেক বেশি ম্যাজিক্যাল। তিনি বলেন, ‘যখন প্রিয় মানুষদের সাথে কাজ করা হয়, তখন কাজটা অনেক স্পেশাল হয়ে যায়। কাজের প্রতি ডেডিকেশন-ভালোবাসা যতটুকু থাকে, তার থেকে আরও বেশি বেড়ে যায়। আসলে দৃশ্যগুলোতে তো আমরা নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পারি, ফলে এক্সট্রা (অতিরিক্ত) কোনো প্রেশার নিতে হয়নি। বরং মুহূর্তগুলো ছিল অনেক বেশি ম্যাজিক্যাল, দর্শকরা দেখলেই বুঝতে পারবেন।’
প্রসঙ্গত, ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়হান রাফীর প্রেশার কুকার সিনেমার গল্প এগিয়েছে ৪টি নারী চরিত্রকে কেন্দ্র করে। যেখানে নাগরিক জীবনের চাপ, সামাজিক দ্বন্দ্ব ও ব্যক্তিগত সংগ্রামের এক অভূতপূর্ব চিত্র ফুটে উঠে। এতে নাজিফা তুষি রয়েছেন ‘স্পা গার্ল’র ভূমিকায়। তিনি ছাড়াও প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন শবনম বুবলী, মারিয়া শান্ত ও স্নিগ্ধা চৌধুরী। বিভিন্ন চরিত্রে আরও রয়েছেন রিজভী রিজু, ফজলুর রহমান বাবু, মিশা সওদাগর, আজিজুল হাকিম ও ফারজানা ছবি।
সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছেন ফরিদুর রেজা সাগর ও রায়হান রাফী। নির্মিত হয়েছে কানন ফিল্মস ও ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যানারে।