সোমবার, মার্চ ২, ২০২৬

দলের আহ্বানে ছেড়েছিলেন সরকারি চাকরি, এবার হলেন মন্ত্রী

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ ৭:৫৯ pm

প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ডাকে জেলা যুগ্ম জজের চাকরি ছেড়ে ২০০৬ সালে যোগ দিয়েছিলেন বিএনপিতে। দলে যোগদানের পর প্রথমে রাঙামাটি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং ২০১০ সালে নির্বাচিত হয়েছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি। বর্তমানে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক তিনি।

ত্যাগী এই নেতা বর্তমান সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে দাপ্তরিক কাজে যোগ দিয়েছেন অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটি-২৯৯ আসন থেকে ধানের শীষে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি। তার প্রাপ্ত ভোট ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৪।

দীপেন দেওয়ান রাঙামাটি পৌরসভা কলেজগেট (মন্ত্রিপাড়া) এলাকার মৃত সুবিমল দেওয়ান ও মোহিনী দেওয়ান দম্পতির ছেলে।

তিনি এলএলবি (অনার্স), এলএলএম পাস করেন। সর্বশেষ পেশায় ছিলেন আইনজীবী। তার বাবা মৃত সুবিমল দেওয়ান সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের মন্ত্রী পদমর্যাদার উপজাতীয় বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।দীপেন দেওয়ান ১৯৭৮ সালে মাধ্যমিক (এসএসসি) পাস করেন।

এরপর উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হন রাঙামাটি সরকারি কলেজে। ১৯৮০-৮১ সেশনে অষ্টম ব্যাচে আইন বিভাগের এলএলবি অনার্সে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে সপ্তম বিসিএসে কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন জুডিশিয়াল সার্ভিসে। চাকরি জীবনে সর্বশেষ কর্মরত ছিলেন চাঁদপুর জেলার যুগ্ম জজ পদে।এর আগে ২০০৬ সালে বাতিল হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটি-২৯৯ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন দীপেন দেওয়ান।

কিন্তু ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আইনি জটিলতায় প্রার্থী হতে না পারায় তার আসনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল তার সহধর্মিণী মৈত্রী চাকমাকে।দীপেন দেওয়ান দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে তৎপর ছিলেন মাঠে। দলের হাল ধরে হয়ে ওঠেন বিএনপির রাঙামাটি জেলার কাণ্ডারি। তারই ফলশ্রুতিতে ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে রাঙামাটি-২৯৯ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পেলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে।