জানুয়ারি ২২, ২০২৬ ৫:৪৩ pm
বক্তব্যে ট্রাম্প এফ-৪৭ নামকরণ নিয়েও রসিকতা করেন। তিনি বলেন, ‘ওরা (মার্কিন বাহিনী) এর নাম রেখেছে ৪৭। ভাবছি, কেন নামটা ৪৭ রাখা হয়েছে।
এফ-৪৭ যুদ্ধবিমানটি উন্নত স্টেলথ প্রযুক্তিতে নির্মিত, যা রাডারকে ফাঁকি দিতে সক্ষম। এর অত্যাধুনিক সেন্সর সিস্টেমের মাধ্যমে পাইলট আরো দ্রুত ও কার্যকরভাবে লক্ষ্য শনাক্ত করে আঘাত হানতে পারবেন।
বিমানটিতে ককপিটের সামনে ছোট ডানা যুক্ত ক্যানার্ড নকশা ব্যবহার করা হয়েছে, যা উড্ডয়নের সময় স্থিতিশীলতা বাড়ায় এবং নিখুঁত বাঁক ও কৌশলগত ম্যানুভার নিশ্চিত করে।
এ ছাড়া এফ-৪৭ স্বয়ংক্রিয় ড্রোনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে। সামরিক অভিযানে সহায়তা করা এসব ড্রোনকে ‘কলাবরেটিভ কমব্যাট এয়ারক্রাফট’ বলা হয়।
পুরনো প্রজন্মের তুলনায় এফ-৪৭ যুদ্ধবিমান দূরপাল্লার হামলা, দ্রুত মোতায়েনযোগ্য এবং বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধপরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম।
২০২৫ সালের মার্চ মাসে বোয়িংকে এফ-৪৭ নির্মাণের দায়িত্ব দেয় মার্কিন বিমান বাহিনী।
বিমানবাহিনীর মতে, ভবিষ্যৎ যেকোনো বড় সংঘাতে বিশেষ করে—প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘর্ষে আকাশে শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে এই যুদ্ধবিমান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।