নজরে পড়ার মতো কিছু এখনো করতে পারিনি: সাদনিমা
জানুয়ারি ১৪, ২০২৬ ১১:২১ am
সময়টা ছিল ২০০৬ কিংবা ২০০৭ সাল। অমিতাভ রেজা চৌধুরী পরিচালিত এসিআই এরোসল-এর একটি বিজ্ঞাপন তখন দর্শকের চোখে বেশ আলাদা করে ধরা দিয়েছিল। বিজ্ঞাপনটির গল্পে দেখা যায়—মশার উৎপাত এতটাই বেড়েছে যে তারা বইয়ের পাতায় আঁকা অলঙ্করণ ও লেখার ভেতরেও ঢুকে পড়ছে। এসিআই এরোসল ব্যবহার করতেই সেই মশাগুলো কাগজের স্কেচ থেকে উড়ে যায়, যেন মুছে গেল।
সে সময় এই বিজ্ঞাপনের স্পেশাল ইফেক্ট দর্শকের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছিল।ওই বিজ্ঞাপনটিতে বই পড়তে থাকা ছোট্ট মেয়েটিই আজকের সাদনিমা বিনতে নোমান। শিশুশিল্পী হিসেবে এটিই ছিল তাঁর প্রথম কাজ। এরপর গ্রামীণফোন, প্রাণসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে নিয়মিত দেখা গেছে তাঁকে।
তবে কিছু সময় পর অভিনয় থেকে দীর্ঘ বিরতি নেন তিনি।

শিক্ষাজীবনে সাদনিমা রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শেষ করেন। পরে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগ দেন। কিন্তু অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে বেশিদিন দূরে থাকতে দেয়নি।
তাই আবারও ক্যামেরার সামনে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালের ভালোবাসা দিবসে ‘মনেরই রঙে রাঙিয়ে’ নাটকের মাধ্যমে তাঁর অভিনয়ে পুনরাগমন ঘটে। সেখানে ‘জুঁই’ চরিত্রে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করলেও তাঁর কাজ নজরে পড়ে নির্মাতা পার্থ সরকারের। সেই সূত্রেই তিনি ‘গোল্ডফিশ’ নাটকে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান।

এরপর প্রায় ছয়টি নাটকে কাজ করলেও সেগুলো এখনো প্রচারে আসেনি।