মে ২৫, ২০২৬ ১১:৩৪ am
বর্তমান রাষ্ট্রপতি নিকোস ক্রিস্টোডুলাইডসকে সমর্থনকারী প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে। মধ্যপন্থী এই নেতা ২০২৩ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন।
ক্রিস্টোদুলাইডেসকে সমর্থনকারী তিনটি মধ্যপন্থী দল ভোটে উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সমাজতান্ত্রিক দল ইডিইকে এবং ডিপা সংসদে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেনি।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘নতুন প্রতিনিধি পরিষদের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা হবে অর্থবহ, আন্তরিক এবং সাংবিধানিক দায়িত্বশীলতার ভিত্তিতে। যেখানে অভিন্ন উদ্বেগ, অভিন্ন অগ্রাধিকার ও জনস্বার্থের বিষয়ে মিল থাকবে, সেখানে সমঝোতা গড়ে তুলতে সরকার কাজ চালিয়ে যাবে।’
নির্বাচনী প্রচারণায় দুর্নীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ছিল ভোটারদের অন্যতম প্রধান উদ্বেগের বিষয়। কট্টর ডানপন্থী দল এলাম অভিবাসনবিরোধী অবস্থান নিয়ে প্রচারণা চালায়। দলটি দ্বীপটির বিভক্ত দুই অংশের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনা নিয়েও কঠোর অবস্থান নেয়। তারা জাতিসংঘ নিয়ন্ত্রিত বাফার জোনের মাধ্যমে গ্রিক ও তুর্কি সাইপ্রিয়টদের সংযোগকারী চেকপয়েন্টগুলো বন্ধ করার দাবি জানায়।
অন্যদিকে জবাবদিহিতা ও রাজনৈতিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি নিয়ে গঠিত নতুন রাজনৈতিক আন্দোলন আলমা প্রথমবারের মতো সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করেছে। দলটি প্রায় ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। তবে তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, সংসদে ইলামের সঙ্গে কোনো ধরনের সহযোগিতা করবে না।
বিশ্লেষক ফিওনা মুলেন এবং হুবার্ট ফস্টম্যান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোডুলাইডস যদি ২০২৮ সালে আবার নির্বাচনে অংশ নেন, তাহলে নতুন সংসদে বড় দলগুলোর সমর্থন পেতে তাকে অত্যন্ত সতর্কভাবে রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। কারণ তার প্রধান মিত্র দলগুলো প্রায় পুরোপুরি দুর্বল হয়ে পড়েছে।
হুবার্ট ফাউস্টম্যান বলেন, ‘যদি তিনি ডিআইএসওয়াইয়ের সমর্থন না পান, তাহলে পুনর্নির্বাচনের সুযোগ তৈরি করতে তাকে আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে ইলাম-এর সমর্থনের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে।’