মে ২৪, ২০২৬ ৮:২১ pm
এই সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জওহরলাল নেহরু এবং কবি হরিবংশ রাই বচ্চন। সেই ধারা বজায় ছিল পরের প্রজন্মেও।
পরে, ১৯৯১ সালে রাজীব গান্ধীর মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের পর দুই পরিবারের সম্পর্কে চরম শৈত্য দেখা যায়। সোনিয়া গান্ধীর ঘনিষ্ঠ মহলের ধারণা ছিল, দুর্দিনে বচ্চন পরিবারকে পাশে পাননি তারা। বিশেষ করে অমিতাভ বচ্চনের অমর সিংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং পরবর্তীতে বিজেপির সাথে সখ্যতা গান্ধী পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোজন যোজন দূরত্ব তৈরি করে।
পরবর্তীতে অমিতাভ পত্নী জয়া বচ্চন সরাসরি সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দেন এবং বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক মঞ্চে গান্ধী পরিবারের কড়া সমালোচনা করেন। অন্যদিকে বচ্চন পরিবার এখন গান্ধী পরিবারের ছায়া থেকেও দূরে থাকতে পছন্দ করে। সোনিয়া গান্ধী একসময় বচ্চন বাড়িতে ভারতের সংস্কৃতি শিখেছিলেন, আজ সেই দুই পরিবারের মধ্যে সৌজন্যের দেখাও মেলা ভার।
উল্লেখ্য, ইতিহাসের পাতায় তারা এখন কেবলই একসময়ের পুরনো বন্ধু, বর্তমানের কট্টর প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে, একসময় দুই পরিবার ভারতের রাজনীতি ও সংস্কৃতির দুই শক্তিশালী স্তম্ভ ছিল, তাদের সম্পর্কের এই পরিবর্তন এখনো ইতিহাসের একটি আলোচিত অধ্যায়।