মে ২৪, ২০২৬ ৮:১৭ pm
এল মেনচোকে ধরতে তাই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর তার মাথার দাম ঘোষণা করেছিল ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার।
মেনচোর মৃত্যুর সময় ৩ থেকে ৪ মাস পেরিয়ে গেলেও বিশ্বকাপের নিরাপত্তায় বড় ধরনের উদ্বেগের থেকে যাচ্ছেই। চক্রটির সদস্যরা চাইবেই দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে। তবে মেক্সিকোর সরকার ও ফিফা জানিয়েছে, তার মৃত্যুর প্রভাব পড়বে না বিশ্বকাপে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শিনবাম বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ দেখতে আসা দর্শকদের জন্য কোনো ঝুঁকি বা নিরাপত্তা হুমকি নেই।’ অন্যদিকে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, মেক্সিকোতে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে তারা সম্পূর্ণ আশ্বস্ত এবং এটি একটি চমৎকার আসর হতে যাচ্ছে। ভেন্যু পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা ফিফার নেই।
দর্শক-সমর্থকদের আশ্বস্ত করেছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরাও। তাদের মতে, কার্টেল বা মাদক চক্রগুলো সাধারণত আন্তর্জাতিক পর্যটক বা ফিফা বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক ক্রীড়া ইভেন্টকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করে না। কারণ এতে তাদের ওপর বিশ্বব্যাপী চাপ ও মেক্সিকান সামরিক বাহিনীর আক্রমণ আরও জোরালো হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ফলে মূল টুর্নামেন্টের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
মেক্সিকোয় বিশ্বকাপ নির্বিঘ্নে শেষ করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরালো করেছে মেক্সিকো সরকার। গুয়াদালাহারায় বিশেষ নজর রাখার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
১ লাখ নিরাপত্তাকর্মী : বিশ্বকাপ চলাকালীন মেক্সিকোর তিন স্বাগতিক শহর (মেক্সিকো সিটি, মন্টেরি ও গুয়াদালাহারা) এবং পর্যটন এলাকাগুলোয় নিরাপত্তা জোরদারে প্রায় ১ লাখ সেনা ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে।
উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার : স্টেডিয়ামগুলোতে ফেস রিকগনিশন (মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি), বিস্ফোরক বা রাসায়নিক হুমকি নিষ্ক্রিয়কারী রোবট এবং অ্যান্টি-ড্রোন ইউনিট ব্যবহার করা হবে। ১ কিলোমিটার দূর থেকেও যেন সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা যায় তার জন্য পুলিশের বিশেষ ড্রোন থাকবে।
গুয়াদালাহারায় বিশেষ নজর : এল মেনচোর অন্যতম ঘাঁটি এবং বিশ্বকাপের অন্যতম ভেন্যু গুয়াদালাহারার একরন স্টেডিয়ামে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কয়েক গুণ জোরদার করা হবে।