শনিবার, মে ৩০, ২০২৬

বগুড়ায় বিএডিসি প্রকল্পের সেচযন্ত্র স্থাপনে অনিয়মের অভিযোগ

মে ২০, ২০২৬ ৫:২৭ pm

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) আওতায় বগুড়ার ধুনট উপজেলায় গোপালনগর ইউনিয়নের সাতটিকরি গ্রামে লো-লিফট পাম্প (এলএলপি) স্থাপনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই গ্রামের ভুক্তভোগী কৃষক সাব্বির হোসেন শাহীন বাদী হয়ে বিএডিসি বগুড়া সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে সরেজমিনে সাতটিকরি গ্রামে ফসলের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, এলএলপি প্রকল্পের সেচযন্ত্র স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। তবে ওই মাঠের অধিকাংশ জমিতে বোরো ধান কাটার কাজ চলমান থাকায় সেচযন্ত্র স্থাপনের কাজটি ধীর গতিতে চলছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতটিকরি গ্রামে ফসলের মাঠে সাব্বির হোসেন শাহীন ও আরো তিন কৃষকের অগভীর নলকূপ রয়েছে। চার কৃষক ২০১৮ সালে বিএডিসির উপজেলা সেচ কমিটি থেকে বিদ্যুৎচালিত সেচযন্ত্রের অনুমোদন নিয়ে জমিতে পানি সেচকাজ পরিচালনা করছেন।

ওই চার সেচযন্ত্রের এলাকার মধ্যে প্রায় শত বিঘা আবাদি জমি রয়েছে।

রাজশাহীতে পৃথক দুই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৯

এ অবস্থায় চারটি সেচযন্ত্রের এলাকার মধ্যে এলএলপি প্রকল্পের সেচযন্ত্র স্থাপনের কাজ শুরু করেছে বিএডিসি। ওই মাঠ সংলগ্ন ইছামতি নদী থেকে এলএলপি প্রকল্পের সেচযন্ত্র দিয়ে পানি সেচ দেওয়া হবে। বিধিমোতাবেক, এলএলপি সেচযন্ত্র স্থাপনের আগে কৃষকদের নিয়ে সমিতি গঠন করে সেই সমিতির নামে সেচযন্ত্র স্থাপনের অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার কথা।

কিন্তু সমিতি গঠন না করেই সেচ যন্ত্র স্থাপন করা হচ্ছে। ওই এলাকায় এলএএলপি সেচযন্ত্রের প্রয়োজন না থাকলেও বিএডিসি অতি উৎসাহিত হয়ে সেখানে সেচযন্ত্র স্থাপন করছে। এলএলপি সেচযন্ত্র স্থাপন করা হলে ওই মাঠের চারটি সেচযন্ত্রের মালিক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ কারণে কৃষক সাব্বির হোসেন শাহীন তার অভিযোগে এলএলপি সেচযন্ত্র স্থাপন কার্যক্রম বন্ধের দাবি করেন।এ বিষয়ে বগুড়া বিএডিসি’র উপসহকারী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, এলএলপি সেচযন্ত্র স্থাপনের পাশাপাশি কৃষকদের নিয়ে সমিতি গঠনের কাজ চলমান রয়েছে।

নদীর তীরবর্তী দেড় কিলোমিটার এলাকার ভেতর অগভীর নরকূপ স্থাপনের বিধান নেই, তারপরও উপজেলা সেচ কমিটি থেকে চারটি সেচযন্ত্র কিভাবে অনুমোদন নিয়েছে সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তবে এলএলপি স্কিমের সেচযন্ত্র স্থাপনে কোনো প্রকার অনিয়ম করা হয়নি।