শনিবার, মে ৩০, ২০২৬

যারা দেশের বাইরে টাকা নিয়ে গেছেন তাদের শাস্তি পেতে হবে

মে ১৪, ২০২৬ ১২:১৫ pm

যারা দেশের বাইরে টাকা নিয়ে গেছেন তাদের শাস্তি হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবীণ ব্যাংক কর্মকর্তা ও অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ।

বুধবার (১৩ মে) কালের কণ্ঠের বার্তাপ্রধান ফারুক মেহেদীর সঞ্চালনায় ‘বিজনেস রিভিউ’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ বলেন, ‘ব্যাংকিং সেক্টরে একটা অস্থিরতা তো ছিল। ১৫ বছরের শেষের দিকে ২০১৮ সালের পর থেক ব্যাংকিং সেক্টরে খুবই অস্থিরতা বিরাজমান ছিল। নন ব্যাংক ফিন্যানশিয়াল ইনস্টিটিউশন তারা পেমেন্ট করতে পারছে না। বেশকিছু লিস্টেড ব্যাংক কাস্টমার ডিপোজিট পেমেন্ট করতে পারছে না।

একটা আস্থাহীনতায় ভুগছিল ব্যাংকিং সেক্টর।’তিনি বলেন, ‘যারা দেশের বাইরে টাকা নিয়ে গেছেন তাদের তো শাস্তি হতে হবে। ৮-১০ জনের সম্পদ শনাক্ত হয়ে গেছে। তারা বিরাট অঙ্কের টাকা সরিয়ে নিয়েছে, সেটা ৩ লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি।

একটা গ্রুপ এর অর্ধেক পাচার করেছে। এসব টাকা পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে।’এ ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, ‘১৫ বছরের যে গ্লানি-অধঃপতন সেটা দেড় বছরে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। হয়তো তারা পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছে, একটা প্ল্যান দিয়েছে। নির্বাচিত সরকার সে নির্দেশনা মেনে তারা এগিয়ে যাচ্ছে।

এবং তারা সফল হবে। দেশটা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে, ইকনমি আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।’তিনি বলেন, ‘ব্যাংকিং সেক্টরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে। এটি সাড়ে পাঁচ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। ২০১৮ সালের পর থেকে বেপরোয়াভাবে ঋণ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক চাপ ছিল, করপোরেট গভর্ন্যান্স বলে কিছু ছিল না। ফলে ঋণ আটকে গেছে।’

সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ, ‘ব্যাংকিং সেক্টরে যে অস্থিরতা সেটা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আগে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। ব্যাংক চলে ডিপোজিটরের টাকায়, সে টাকা ম্যানেজ করার দায়িত্ব হলো ম্যানেজমেন্টের। তারা ভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করে প্রফিট করবে। কিন্তু গ্রাহকরা টাকা ফেরত পাচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘যারা কালপ্রিট তাদের উদাহরণযোগ্য শাস্তি দেওয়া উচিত এবং এটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। তাহলে গ্রাহকদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে।’