মে ৭, ২০২৬ ১২:৪৩ pm
প্রথম লেগে প্যারিসে নয় গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে হারের পর দ্বিতীয় লেগের তৃতীয় মিনিটে গোল করে পিএসজিকে ৬-৪ গোলের লিড এনে দেন উসমান দেম্বেলে। এর পরও ম্যাচে ফিরতে নিজেদের মাঠে দীর্ঘ সময় লড়াই করেছে বায়ার্ন।
প্রথম লেগে বায়ার্ন ৩-২ গোলে পিছিয়ে পড়ে বিরতির ঠিক আগে।
হ্যান্ডবলের নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তুলে বায়ার্ন কোচ বলেন, ‘আমি নিয়ম বুঝি। প্রথম ঘটনায় বল আগে শরীরে লাগে, খুব কাছ থেকে আসে, এরপর হাতে লাগে। তারা বলেছে বলের গতিপথের কারণে পেনাল্টি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয় ঘটনায় হাত অনেক ওপরে ছিল, তবু বলা হলো সতীর্থের শরীর থেকে বল আসায় পেনাল্টি নয়। সাধারণ বিবেচনায় দেখলে দুই সিদ্ধান্তই হাস্যকর। ম্যাচের পুরো গল্প এটা নয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তো এক গোলের ব্যবধান।’
এ ছাড়া দ্বিতীয় লেগে আরেকটি ঘটনায়ও ক্ষুব্ধ ছিলেন কম্পানি। প্রথমার্ধে নুনো মেন্ডেসের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড না দেখানো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। কোম্পানির দাবি, ডান প্রান্তে পাল্টা আক্রমণ থামাতে হাত ব্যবহার করেছিলেন মেন্ডেস।
কোম্পানির বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে রেফারি প্রথমে কার্ড দিতে যাচ্ছিলেন। পরে বুঝতে পারেন এর আগে তিনি তাকে একটি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন, তাই দ্বিতীয় হলুদ দিয়ে মাঠ থেকে বের করতে চাননি।’
দুই লেগ মিলিয়ে পিএসজি-বায়ার্ন দ্বৈরথে মোট ১১ গোল হয়েছে। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে সেমিফাইনালে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। এর আগে ২০১৮ সালে লিভারপুল-রোমা এবং গত মৌসুমে বার্সেলোনা-ইন্টার মিলান ম্যাচে এর চেয়ে বেশি গোল হয়েছিল।
দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৫ ব্যবধানে জিতে এবার ফাইনালে উঠেছে পিএসজি। বুদাপেস্টে হতে যাওয়া শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ আর্সেনাল।