মে ৪, ২০২৬ ১:২৮ pm
বন্ধ কলকারখানা খুলতে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার সকাল ১০টা থেকে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে দুই ঘণ্টার বেশি সময় এই বৈঠক হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “মে দিবসের দিন নয়া পল্টনে শ্রমিক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বন্ধ কল-কারখানাগুলো খুলে দেওয়া হবে, শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। আজ বৈঠকে বন্ধ কল-কারখানার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।”
বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক এবং শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন।
মে দিবস উপলক্ষে গত শুক্রবার বিকালে রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা জানলে খুশি হবেন, আমি নির্দেশনা দিয়েছি যে, কীভাবে আমরা কত দ্রুত বন্ধ কলকারখানার কোনটি কোনটি চালু করতে পারব, যাতে আবার সেই সকল শ্রমিক যারা কর্মসংস্থান হারিয়ে বেকার হয়ে গিয়েছিল সেই সকল শ্রমিকের কর্মের ব্যবস্থা আমরা করতে পারি। সেই মিটিংটি এই সপ্তাহে আবার নির্ধারিত হয়েছে।
“ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের অনেকগুলো কল কারখানা, যেগুলো বন্ধ হয়ে গিয়েছে বিগত বছরগুলোতে পর্যায়ক্রমিকভাবে, আমরা সেই কল কারখানাগুলোকে আবার চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। শুধু এই বন্ধ কলকারখানা চালু হলেই সকল শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে না আমরা জানি। এই শ্রমিকদের পাশাপাশি আরো বহু লক্ষ হাজারো লক্ষ বেকার এখন এই দেশে রয়ে গিয়েছে।”
তিনি বলেন, “তাদের জন্য দেশে আমাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। আমাদেরকে বিদেশে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে এবং সেইজন্যই আমরা বিদেশি বিনিয়োগকারীসহ দেশীয় বিনিয়োগকারীদের সাথে এরই ভেতরে আলোপ আলোচনা শুরু করেছি। আমরা তাদেরকে উৎসাহ প্রদান করছি।
“আমরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। যাতে করে সে বিনিয়োগকারীরা সে দেশিই হোক অথবা বিদেশই হোক, এই দেশে কল কারখানা তৈরি করে।”
তারেক রহমান বলেন, “আমরা জানি এই দেশে কলকারখানা তৈরি হলে এই দেশের শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। আমরা জানি, শ্রমিকরা যদি ভালো থাকে তাহলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। আমরা জানি কৃষকরা যদি ভালো থাকে তাহলেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে।
“অর্থাৎ সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ যখন ভালো থাকবে তখনই এই দেশ, বাংলাদেশ ভালো থাকবে। এবং সেজন্যই প্রিয় ভাই-বোনেরা, আপনারা দেখেছেন আমরা জানি, আমরা বিষয়টি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল আছি।”